Топ-100
Back

ⓘ নটর ডেম বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র




নটর ডেম বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র
                                     

ⓘ নটর ডেম বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র

ইউনিভার্সিটি অব নটর ডেম ডু ল্যাক দক্ষিণ বেন্ড শহরের বাইরে ইন্ডিয়ানার নটর ডেমে অবস্থিত একটি বেসরকারী ক্যাথলিক গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়। ১৮৪২ সালে এটি এডওয়ার্ড সোরিন প্রতিষ্ঠা করেন। এর মূল শিক্ষাঙ্গনটি শহরতলীতে প্রায় ১,২৬১ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। এই প্রাঙ্গনে সোনালী গম্বুজ, থিওডোর হেশবুর্গ গ্রন্থাগার, নটর ডেম স্টেডিয়াম- এর মতো স্থলচিহ্নসমূহও অন্তর্ভুক্ত।

ছয়টি কলেজে প্রাক-স্নাতক শিক্ষার্থীরা লেখাপড়া করে থাকে। "দ্য স্কুল অব আর্কিটেকচার" নব্য ধ্রুপদী প্রকৌশল শেখানো এবং ড্রাইহস আর্কিটেকচার প্রাইজ প্রদানের জন্য পরিচিত। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ৫০ বছরব্যাপী শিক্ষা প্রোগ্রাম এবং ১৫ টি গ্রীষ্মকালীন প্রোগ্রাম রয়েছে। নটর ডেম আইন বিদ্যালয় ও ইন্ডিয়ানা স্কুল অব মেডিসিন কর্তৃক প্রদত্ত এমডি-পিএইচডি সহ এই ছয়টি বিদ্যালয়ের দেয়া প্রায় ৫০টিরও অধিক মাস্টার, ডক্টোরাল ও পেশাদারী ডিগ্রি প্রোগ্রাম রয়েছে। এটি বিভিন্ন গ্রন্থাগার, সাংস্কৃতিক মঞ্চ হেশবুর্গ গ্রন্থাগার ও স্নাইট মিউজিয়াম অব আর্ট সহ শৈল্পিক ও বৈজ্ঞানিক জাদুঘর পরিচালনা করে। বিশ্ববিদ্যালয়টির ৮,০০০ শিক্ষার্থীদের অধিকাংশই তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি, রীতিনীতি, উৎসব ও অন্তরাঙ্গন খেলাধুলার দলসহ ৩১ টি আবাসিক হলে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রায় ১৩৪,০০০ জন অ্যালুমনাই যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে শক্তিশালী বন্ধনে থাকা কলেজ অ্যালুমনাইদের মধ্যে একটি করে তুলেছে। The

বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়াদলগুলো এনসিএএ প্রথম বিভাগের সদস্য এবং একত্রে এগুলো ফাইটিং আইরিশ নামে পরিচিত। নটর ডেম এর ফুটবল দলের জন্য পরিচিত যা বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে জাতীয় পর্যায়ে এর উত্তোলনে অবদান রাখে। দলটি কোনো কনফারেন্সের সাথে যুক্ত না থেকেও ১১ টি জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ, ৭টি হাইসম্যান ট্রফি জিতেছে। দলের ৬২ জন সদস্য কলেজ ফুটবল হল অব ফেম, ১৩ জন পেশাদার ফুটবল হল অব ফেমে রয়েছে। নটর ডেম দল অন্যান্য খেলার মধ্যে আটলান্টিক কোস্ট কনফারেন্সে ১৭ টি জাতীয় প্রতিযোগিতা জিতেছে।নটর ডেম বিজয় মার্চকে প্রায় সবচেয়ে জনপ্রিয় কলেজিয়েট ফাইট গানের মধ্যে ধরা হয়।

কোচ নুট রকনির অধীনে এর ফুটবল দলের সাফল্যের ফলস্বরূপ নটর ডেম বিংশ শতাব্দীর শুরুতে আন্তর্জাতিক জনপ্রিয়তা লাভ করে। থিওডোর হেসবারগের প্রশাসনের অধীনে ১৯৫২ থেকে ১৯৮৭ এর মাঝে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক উন্নতি হয়। তার প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদ, শিক্ষা কর্মসূচি, এবং পরিচিতির বেশ উন্নয়ন করে। ১৯৭২ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম নারী স্নাতক শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। এর পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পরবর্তী দুই প্রেসিডেন্ট এডওয়ার্ড ম্যালয় এবং জন আই. জেনকিনসের অধীনে ধারাবাহিক উন্নতি দেখে। এর মধ্যে অনেক অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও গবেষণা সুযোগ বৃদ্ধি রয়েছে। নটর ডেমের বৃদ্ধি একবিংশ শতাব্দীতেও অব্যাহত রয়েছে। এর ১৩.৮ বিলিয়ন ডলারের উন্নয়ন প্রকল্প আমেরিকার যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বৃহত্তম।

                                     

1.1. ইতিহাস প্রতিষ্ঠা

১৮৪২ সালে ভিন্সেন্স -এর যাজক, সেলেস্তিনে গায়নেমের দ্য লা হাইলানদিয়েরে, পবিত্র ক্রুশ সন্ন্যাস সংঘ টেমপ্লেট:লাতিন-, সংক্ষেপে আদ্যক্ষর: "সি এস সি", -এর এডওয়ার্ড সোরিনকে ২ বছরের মধ্যে কলেজ উদ্বোধন করার শর্তাধীনে জমি প্রদান করেন।. ১৮৪২ সালের নভেম্বর মাসে, সোরিন ফ্রান্স ও আয়ারল্যান্ড এর ৮ জন পবিত্র ক্রুশ ভাইদেরকে নিয়ে নির্মাণ-স্থলে পৌঁছান এবং স্টিফেন বাডিন এর পুরাতন লগ চ্যাপেল অনুযায়ী স্কুল কার্যক্রম শুরু করেন। ২ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হবাপর তারা শীঘ্রই ১ম চার্চ ও ১ম প্রধান ভবন পুরাতন কলেজসহ আরও ভবন নির্মাণ করেন।

এভাবে নটর ডেম একটি প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে যাত্রা শুরু করে; ১৮৪৪ সালে এটি ইন্ডিয়ানা সাধারণ সমাবেশ থেকে সরকারি কলেজ সনদ লাভ করে। সনদের অধীনে বিদ্যালয়টিকে সরকারিভাবে নটর ডেম বিশ্ববিদ্যালয় ডু লেক আমাদের নদী তীরবর্তী পবিত্র নারীর বিশ্ববিদ্যালয় নামকরণ করা হয়। যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয়টি ছিল মূলত শুধু পুরুষদের জন্য,তাই ১৮৪৪ সালেপবিত্র ক্রুশের সিস্টারদের তৎপরতায় নটর ডেম এর পাশে সেন্ট মেরিজ কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

                                     

1.2. ইতিহাস প্রারম্ভিক ইতিহাস

১৮৪৯ সালে কলেজ তার ১ম ডিগ্রী প্রদান করে। একই সাথে, আরও অধিক শিক্ষার্থী ও শিক্ষকমণ্ডলীর স্থান সংকুলানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বিস্তৃত করা হয়। প্রতিটি নতুন সভাপতির সাথে নতুন নতুন কর্মসূচি প্রস্তাব ও সেসবের জায়গা বরাদ্দের জন্য ভবন নির্মাণ করা হতে থাকে। সোরিনের আসাপর নির্মিত মূল প্রধান ভবনকে ১৮৬৫ সালে আরও বড় ভবন;যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন,শ্রেণিকক্ষ এবং শয়নকক্ষ অবস্থিত, দ্বারা প্রতিস্থাপিত করা হয়। উইলিয়াম করবি -এর প্রথম ব্যবস্থাপনার অধীনে নটর ডেমে ভর্তি ৫০০ জন ছাড়িয়ে যায়। ১৮৬৯ সালে তিনিল স্কুল চালু করেন,যেটি ২ বছরের শিক্ষা-কোর্স প্রদান করতো এবং ১৮৭১ সালে তিনি পবিত্র আত্মা চার্চ বর্তমানেপবিত্র আত্মা রাজপ্রাসাদ, নটর ডেমএর নির্মাণকাজ শুরু করেন। ২ বছর পরঅগাস্টে লেমোনিয়ের প্রধান ভবনে পাঠাগার উদ্বোধন করেন; ১৮৭৯ সালের মধ্যেই এটি ১০,০০০ খণ্ডের সংগ্রহে পোঁছায়।

এই প্রধান ভবন এবং পাঠাগারের সংগ্রহ ১৮৭৯ সালের এপ্রিলের এক অগ্নিকাণ্ডে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়; স্কুল তৎক্ষনাৎ বন্ধ হয়ে যায় এবং শিক্ষার্থীদের বাসায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতা সোরিন এবং তৎকালীন সভাপতি উইলিয়াম করবি,কার্যত গোটা বিশ্ববিদ্যালয়কে স্থান দেওয়া কাঠামো দ্রুত পুনঃনির্মাণ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। ১৭ মে, নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং প্রশাসন ও কর্মীদের অতি উদ্দীপনার দরুন ১৮৭৯ সালের শীতকালীন সেমিস্টারের পূর্বেই কাজ শেষ হয়। পাঠাগারের সংগ্রহও পুনর্গঠন করা হয় এবং অদ্যাবধি এটি সেখানেই অবস্থান করছে।

অগ্নিকাণ্ডের কাছাকাছি সময়ে ওয়াশিংটন হল নির্মাণ করা হয়;এখানে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ব্যবস্থাপিত মঞ্চনাটক এবং সংগীতাভিনয়-এর আয়োজন করা হত। ১৮৮০ সাল নাগাদ বিজ্ঞান কার্যক্রম চালু করা হয় এবং এরই ধারাবাহিকতায় একটি বিজ্ঞান হল রয়েছে। রকনের রক্ষণভাগ নটর ডেম প্রান্তে সক্রিয় থাকতো এবং আক্রমণভাগ ৭-২-২ ছকে চলতো। রকনের প্রশিক্ষিত শেষ ম্যাচ ছিল ১৯৩০ সালের ১৪ই ডিসেম্বর; যেখানে তিনি নটর ডেম অল-স্টারস এর একটি দলকে নিউ ইয়র্ক শহরের নিউ ইয়র্ক জায়ান্টস এর বিপক্ষে পরিচালনা করেন।

নটর ডেম এর সাফল্য ২০-এর দশকে আইরিশ মার্কিন এবং ক্যাথলিকদের উদীয়মান অবস্থাকে প্রতিফলিত করে। ক্যাথলিকরা দলের চারদিকে সমাবেশ করে এবং রেডিওতে খেলার খবর শুনতো, বিশেষত যখন এমন দলকে হারাতো যারা আমেরিকায় প্রোটেস্ট্যান্ট আদর্শ প্রতিষ্ঠাকে প্রতিকায়িত করতো, যেমন- হার্ভার্ড, ইয়েল, প্রিন্সটন এবং আর্মি।

উঁচু মানের শীর্ষস্থানীয় ক্যাথলিক মতবাদ এর প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়টির ভূমিকা এটিকে সহজেই ক্যাথলিক মতবাদ বিরোধীদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে। সহিংসতার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পর্ব ছিল ১৯২৪ সালের নটর ডেম এর শিক্ষার্থীদের সাথে একটি শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদি ও ক্যাথলিক মতবাদ বিরোধী দল কু ক্লাক্স ক্ল্যান কেকেকে এর সাথে সংঘর্ষ। স্বজাত্যবোধ এবং ক্যাথলিক মতবাদের বিরোধীতা ছিল কেকেকের বাগাড়ম্বরতার ভিত্তি এবং নটর ডেমকে দেখা হত ক্যাথলিক গির্জা কর্তৃক সৃষ্ট হুমকি হিসেবে। দক্ষিণ মোড়ে ক্ল্যান, সপ্তাহব্যাপী ক্ল্যাভার্ন এর সিদ্ধান্ত নেয়। নটর ডেম এর শিক্ষার্থীদের সাথে তাদের সংঘর্ষ শুরু হয় ১৭ মে, যখন শিক্ষার্থীরা ক্যাথলিক মতবাদ বিরোধী বিদ্বেষ সম্পর্কে অবগত থেকে ক্ল্যান সদস্যদের দক্ষিণ মোড়ে ট্রেন থেকে নামতে বাধা প্রদান করে এবং কেকেকে এর পোশাক ও রাজপোশাক ছিঁড়ে ফেলে। ২ দিন পর হাজার হাজার শিক্ষার্থী ক্ল্যাভার্ন এর প্রতিবাদে রাজপথে নামে এবং শুধুমাত্র কলেজ প্রেসিডেন্ট ম্যাথিউ জে. ওয়ালশ এর আগমনে অধিকতর সংঘাত প্রতিহত হয়। পরবর্তী দিন, রকনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি র‍্যালিতে বক্তৃতা প্রদান করেন এবং শিক্ষার্থীদের ওয়ালশের আদেশ মেনে নিতে ও আগামী কোনো সহিংসতা থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ করেন। এর কিছুদিন পর ক্ল্যাভার্ন ভেঙ্গে যায় কিন্তু শিক্ষার্থীদের প্রতিকূলাচরণ ইন্ডিয়ানায় কেকেকের পতনে ভূমিকা পালন করে।

                                     

1.3. ইতিহাস সাম্প্রতিক ইতিহাস

১৮ বছর এডওয়ার্ড মলয় রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন, স্কুলের খ্যাতি, অনুষদ এবং সংস্থানগুলি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছিলো। তিনি ৫০০ জনের ও অধিক অধ্যাপক নিযুক্ত করেছিলেন এবং যার কারণে ছাত্র সংস্থার একাডেমিক মানের নাটকীয়ভাবে উন্নতি হয়েছে, গড় স্যাট স্কোর ১২৪০ থেকে ১৪৬০ এ বেড়েছে. সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদের সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি, বৃত্তিদান ৩৫০ মিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৩ বিলিয়নেরও বেশি হয়েছে, বার্ষিক অপারেটিং বাজেট ১৭৭ মিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৬৫০ মিলিয়নেরও বেশি হয়েছে এবং বার্ষিক গবেষণা তহবিলের পরিমাণ ১৫ মিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৭০ মিলিয়নেরও বেশি হয়েছে।

নটরডেমের সর্বাধিক সাম্প্রতিক ২০১৪ মূলধন ক্যাম্পেইন ২.০১৪ বিলিয়ন ডলার জোগাড় করেছে, এটির লক্ষ্যমাত্রা ৭৬৭ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। এটি ক্যাথলিক উচ্চ শিক্ষার ইতিহাসে বৃহত্তম এবং কোনও মেডিকেল স্কুল ছাড়া যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহত্তম ছিল

রেভ জন আই জেনকিনস ২০০৫ সালে মলয়ের কাছ থেকে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। উদ্বোধনী ভাষণে জেনকিনস বিশ্ববিদ্যালয়টিকে গবেষণায় শীর্ষস্থানীয় করে তোলার যে লক্ষ্যগুলি নৈতিকতাকে স্বীকৃতি দেয় এবং বিশ্বাস এবং অধ্যয়নের মধ্যে সংযোগ গড়ে তোলে তা বর্ণনা করেছিলেন। তাঁর আমলে নটর ডেম তার বৃত্তিদান বৃদ্ধি করেছে, তার ছাত্র সংগঠনকে বাড়িয়ে দিয়েছে, এবং ক্যাম্পাসে প্রচুর নির্মাণ প্রকল্পের কাজ করেছে যেমন- কম্পটন ফ্যামিলি আইস এরিনা, একটি নতুন আর্কিটেকচার হল, অতিরিক্ত আবাসিক হল এবং ক্যাম্পাস ক্রসরোডস, একটি ৪০০ মিলিয়ন বর্ধিতকরণ এবং সম্প্রসারণ প্রকল্প নটরডেম স্টেডিয়ামের জন্য।.



                                     

2. উল্লেখযোগ্য শিক্ষার্থী

সারা বিশ্বের ২৭৫ টি অ্যালামনাই ক্লাব এ প্রতিষ্ঠানটির ১,৩০,০০০ এরও বেশি শিক্ষার্থী যুক্ত রয়েছেন। তাঁদের অনেকেই বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বার্ষিক আর্থিক সাহায্য দিয়ে থাকেন। ২০০৬ সালে মোট আয়ের রেকর্ড পরিমাণ ৫৩.২ শতাংশ এভাবেই এসেছিল। প্রতিষ্ঠানটির আবাসিক ভবন, শিক্ষা ভবন, এবং পারফর্মিং আর্ট সেন্টার বা কলা ভবন সহ অনেক ভবন উল্লেখযোগ্য দাতাদের নামানুসারেই নামকরণ করা হয়েছে। বিশেষত ক্রীড়া কার্যক্রমগুলোতে সাবেক শিক্ষার্থীরা সক্রিয় সহযোগিতা করে থাকেন। এক্ষেত্রে নটর ডেম মিশিগান এবং ফ্লোরিডার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পাশাপাশি শীর্ষস্থান অর্জন করে থাকে।

রাজনৈতিক ক্ষেত্রে কর্মরত প্রতিষ্ঠানটির উল্লেখযোগ্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছেন প্রাদেশিক গভর্নর, যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস সদস্য এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রাদেশিক মহাসচিব কনডোলেজ্জা রাইস। তাছাড়াও বিজ্ঞানের উল্লেখযোগ্য শিক্ষার্থীদের ভেতর রয়েছেন ১৯৯৫ সালের চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী এরিক এফ উইশাস এবং অ্যাসপিরিনের কার্ডিওপ্রোটেক্টিভ প্রভাবের আবিষ্কারক ফিলিপ মাজেরাস বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক কর্মকর্তারাই এর সাবেক শিক্ষার্থী, যাঁদের ভেতর রয়েছেন বর্তমানে সভাপতি দ্যা রেভ জন জেনকিনস। গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের মধ্যে রয়েছেন উপস্থাপক রেজিস ফিলবিন এবং ফিল ডনাহি। এছাড়াও টেলিভিশন ও রেডিও ব্যক্তিত্বদের মধ্যে রয়েছেন মাইক গলিস এবং হানা স্টর্ম এ প্রতিষ্ঠানের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব পেশাদার ক্রীড়াবিদ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন, যাঁদের মধ্যে রয়েছেন জো থিসমান, জো মনটানা, টিম ব্রাউন, রস ব্রাউনার, রকেট ইসমাইল, রুথ রাইলি, জেফ সামার্দজিযা, জেরোমি বেটিস, জাস্টিন টাক, ক্রেইগ কাউন্সেল, স্কাইলার ডিগিম্স স্মিথ, ব্রেট লেবডা, অলিম্পিকে স্বর্ণপদকজয়ী মেরিয়েল যেগুনিস, পেশাদার কুস্তিগীর মাইক লী, সাবেক ফুটবল কোচ চার্লি ওয়েইস, ফ্র্যাংক লিহাই এবং নুট রকনি, তাছাড়া রয়েছেন বাস্কেটবল হল অব ফেমার্স অস্টিন কার এবং অ্যাড্রিয়ান ড্যান্টলি। অন্যান্য উল্লেখযোগ্য সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে আছেন বিখ্যাত শিল্পপতি এডওয়ার্ড জে দিবার্তোলো জুনিয়র এবং নভোচারী জিম ওয়েদারবি। দুই সাবেক শিক্ষার্থী অ্যালান পেজ ও এডওয়ার্ড জে দিবার্তোলো জুনিয়র প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম অর্জন করেছিলেন। তাছাড়া আরো দুই শিক্ষার্থী তৃতীয় থমাস অ্যান্টনি ডুলে ও বিল হ্যান্জলিক কংগ্রেশনাল গোল্ড মেডেল লাভ করেছিলেন।

                                     

3. আরও পড়ুন

  • Burns, Robert E. Being Catholic, Being American: The Notre Dame Story, 1934–1952, Vol. 2. 2000. 632pp. excerpt and text search
  • OBrien, Michael. Hesburgh: A Biography. 1998. 354 pp.
  • Rice, Charles E., Ralph McInerny, and Alfred J. Freddoso. What Happened to Notre Dame? 2009 laments the weakening of Catholicism at ND
  • Hesburgh, Theodore M. God, Country, Notre Dame: The Autobiography of Theodore M. Hesburgh 2000
  • OConnell, Marvin R. Edward Sorin. 2001. 792 pp.
  • Sperber, Murray. Shake Down the Thunder: The Creation of Notre Dame Football. 1993 634 pp.
  • Corson, Dorothy V. A Cave of Candles: The Spirit, History, Legends and Lore of Notre Dame and Saint Marys 2006, 222pp.
  • Robinson, Ray. Rockne of Notre Dame: The Making of a Football Legend. 1999. 290 pp.
  • Pilkinton, Mark C. Washington Hall at Notre Dame: Crossroads of the University, 1864–2004 University of Notre Dame Press, 2011 419 pp.
  • McAvoy, Thomas T. "Notre Dame, 1919–1922: The Burns Revolution." Review of Politics 1963 254: 431–450. in JSTOR
  • Massa, Mark S. Catholics and American Culture: Fulton Sheen, Dorothy Day, and the Notre Dame Football Team. 1999. 278 pp.
  • Yaeger, Don and Looney, Douglas S. Under the Tarnished Dome: How Notre Dame Betrayed Its Ideals for Football Glory. 1993. 299 pp.
  • McAvoy, Thomas T. Father OHara of Notre Dame 1967