Топ-100
Back

ⓘ কটন কলেজিয়েট সরকারী উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়




                                     

ⓘ কটন কলেজিয়েট সরকারী উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়

কটন কলেজিয়েট সরকারী উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয় বা কটন কলেজিয়েট স্কুল ভারতের আসাম রাজ্যের গুয়াহাটির পানবাজারে অবস্থিত একটি বিদ্যালয়। ব্রিটিশ রাজত্বকালে ঔপনিবেশিক আসামের কমিশনার কেপ্তেইন ফ্রান্সিস জেনকিন্স ডাঙরীয়া ১৮৩৫ সালে এই বিদ্যালয় "গৌহাটী গভর্নমেন্ট সেমিনারী" নামে স্থাপন করেছিলেন। এটি উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রথম আধুনিক শিক্ষা প্রদান করা বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টিতে ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত পাঠদানের ব্যবস্থা আছে। শিক্ষার মাধ্যম হল অসমীয়া। এর দশম শ্রেণীর ছাত্ররছাত্রীগণ অসম মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদ-এর অধীনে হাইস্কুল শিক্ষান্ত পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয় এবং দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীরা অসম উচ্চতর মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ-এর অধীনে উচ্চতর মাধ্যমিক চূড়ান্ত পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়।

                                     

1. ইতিহাস

১৮৩৪ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর অধীনস্থ আসামের কমিশনার কেপ্তেইন ফ্রান্সিস জেনকিন্স ১৮৩৪-৬১ বড় অসমীয়া যুবকদের শিক্ষার প্রতি আগ্রহী করতে চারটি সদর গৌহাটী, দরং, নগাঁও এবং বিশ্বনাথ ইংরাজী শিক্ষার বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য সরকারকে আবেদন জানিয়েছিলেন। এর সঙ্গে তিনি বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য গুয়াহাটির স্থানীয় বাসিন্দাদের থেকে ১,৭৪০ টাকা অনুদান লাভ করেছিলেন। সেই সময়ে গুয়াহাটি অঞ্চলর মোট জনসংখ্যা ৫,৮০০ জন ছিল। ১৮৩৫ সালে ভারত সরকার থেকে অনুমতি লাভ করাপর এক বছরে ৫৮ জন ছাত্রকে "গৌহাটী স্কুল" নামে বিদ্যালয়টির আরম্ভ করা হয়। মাসিক ১৫০ টাকা বেতনে মিস্টার সিংগারকে বিদ্যালয়টির প্রথম শিক্ষকের নিযুক্তি দেয়া হয়।

১৮৩৮ সালে মিস্টার রবিনসন গৌহাটী স্কুলের নতুন প্রধান শিক্ষক হিসাবে মাসিক ৩০০ টাকা বেতনে দায়িত্বভার গ্রহণ করে। এর সঙ্গে বিদ্যালয়টিকে "গৌহাটী গভর্নমেন্ট সেমিনারী" নামে নামকরণ করা হয়। ধীরে ধীরে বিদ্যালয়ে ছাত্রের সংখ্যা ৩৪০ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ায় ১৮৪০ সালে অনুদান তুলে দিয়ে বিদ্যালয়টির পরিসর বৃদ্ধি করা হয়। ১৮৬৫ সালে সরকার বিদ্যালয়টিকে কলেজিয়েট পর্যায় পর্যন্ত উন্নীত করে।

                                     

2. শিক্ষা

বিদ্যালয়টিতে ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত পাঠদানের ব্যবস্থা আছে। শিক্ষার মাধ্যম হল অসমীয়া। এর দশম শ্রেণীর ছাত্রগণ অসম মাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদ-এর অধীনে হাইস্কুল শিক্ষান্ত পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয় এবং দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্ররা অসম উচ্চতর মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ-এর অধীনে উচ্চতর মাধ্যমিক চূড়ান্ত পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়।

ভর্তি

ষষ্ঠ এবং অষ্টম শ্রেণীতে ভর্তির জন্য বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। একাদশ শ্রেণীর কলা, বিজ্ঞান এবং বাণিজ্য শাখার ভর্তি হাইস্কুল শিক্ষান্ত পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে করা হয়।