Топ-100
Back

ⓘ মেসিডোনিয়া প্রজাতন্ত্রের অর্থনীতি




মেসিডোনিয়া প্রজাতন্ত্রের অর্থনীতি
                                     

ⓘ মেসিডোনিয়া প্রজাতন্ত্রের অর্থনীতি

প্রাক্তন ইউগোস্লাভিয়ার প্রজাতন্ত্রগুলির মধ্যে ম্যাসিডোনিয়া ছিল অর্থনৈতিকভাবে সবচেয়ে কম উন্নত। ১৯৯১ সালে প্রজাতন্ত্রটির স্থুল অভ্যন্তরীণ উৎপাদন সবচেয়ে সমৃদ্ধ ইউগোলাভ প্রজাতন্ত্র স্লোভেনিয়ার স্থুল অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ছিল। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৫ সালের মধ্যে ম্যাসিডোনিয়ার মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ৩০%-এরও বেশি কমে যায়। ১৯৯৬ সালে এসে স্বাধীন প্রজাতন্ত্রটি প্রথম অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মুখ দেখে। বেকারত্ব এখানকার একটি বড় সমস্যা। ১৯৯৫ সালে বেকারত্বের হার ছিল ৩৩% এবং ১৯৯৮ সালে তা ছিল প্রায় ৪০%। ১৯৯৮ সালে ক্রমাগত প্রবৃদ্ধি এবং সরকারী চাকুরি সৃষ্টি প্রকল্পের ফলে বেকারত্ব হ্রাস পায়। ২০০৮ সালে স্থুল অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ছিল প্রায় ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে যখন ম্যাসিডোনিয়া ইউগোস্লাভিয়ার অংশ ছিল, তখন এর অর্থনীতি ইউগোস্লাভ কেন্দ্রীয় সরকার নিয়ন্ত্রণ করত। বেশির ভাগ শিল্প সরকারের অধীন ছিল। স্বাধীনতাপর দেশটি মুক্ত বাজার অর্থনীতিতে যোগ দেয়। কিন্তু ১৯৯০ সালে গ্রিস বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা জারি করলে অবস্থা প্রতিকূল হয়ে ওঠে। সার্বিয়া ও মন্টেনিগ্রোর উপর জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিষেধ আরোপ করলে ম্যাসিডোনিয়া আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক বাণিজ্য বাজার হারায়। এসময় কালোবাজারি ব্যবসা বৃদ্ধি পায়। ১৯৯০-এর দশকের শেষের দিকে এই কালোবাজার বা "ধূসর অর্থনীতি" ম্যাসিডোনিয়ার প্রায় অর্ধেক স্থুল অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের জোগান দেয়।

তবে ম্যাসিডোনিয়ার অন্যান্য ক্ষেত্রে কিছু সফলতার মুখ দেখে। ১৯৯২ সালে যেখানে মুদ্রাস্ফীতি ছিল ১,৬৯১%, ১৯৯৮ নাগাদ তা কমে দাঁড়ায় ১.৩%। বহু কোম্পানিকে বেসরকারী মালিকানায় ছেড়ে দেওয়া হয়। ১৯৯০-র দশকের শেষের দিকে আইন করে বেসরকারী কোম্পানিগুলির মালিকানার ব্যাপারে অনিয়ম বন্ধ করার চেষ্টা করা হয়। তখন থেকে দেশটিতে বৈদেশিক বিনিয়োগের পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে।