Топ-100
Back

ⓘ বি কে জি সি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়




বি কে জি সি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
                                     

ⓘ বি কে জি সি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়

বসন্ত কুমারী গোপাল চন্দ্র সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হবিগঞ্জে নারী শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিকাশে শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীট। উক্ত প্রতিষ্ঠানটি ১৯২৩ সালে প্রতিষ্ঠাপর থেকে অত্রাঞ্চলের নারী শিক্ষার প্রসারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। সিলেট শিক্ষাবোর্ডের অধীনে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের নীতিমালা অনুসরণ করে বিদ্যালয়টি পরিচালিত হয়।

                                     

1. ইতিহাস ও অবস্থান

বিদ্যালয়টি হবিগঞ্জ জেলা সদরের প্রাণকেন্দ্র ৭নং ওয়ার্ডে অবস্থিত। পাশেই রয়েছে পুরতন জেলখানা এবং হবিগঞ্জ শহরের ঐতিহ্যবাহী জালাল স্টেডিয়াম, সুরবিতান ললিতকলা একাডেমী এবং বৃন্দাবন সরকারি কলেজের বাণিজ্য ও কলা অনুষদের ভবন। চারদিকে সুরক্ষা বেষ্টনীতে আবদ্ধ স্কুলটির একটি মাত্র ফটক রয়েছে আসা ও যাওয়ার জন্য। স্কুল চলাকালীন সময়ে ফটকে সার্বক্ষণিক প্রহরীর ব্যবস্থা ছাড়াও বিদ্যালয়টির আসা-যাওয়ার ফটকের আগে-পিছে এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে স্থাপন করা হয়েছে আধুনিক ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা। যা প্রধান শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে সার্বক্ষণিক নিরীক্ষা করা হয়।

                                     

2. পোষাক

নীল এবং সাদা রং এর কাপড় দিয়ে তৈরী হয় বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের পোষাক। সাদা ফিতা সম্বলিত নীল রঙের ফ্রক, সাদা পায়জামা, নীল রঙের স্কার্ফ ব্যবহার করা হয়।

                                     

3. শিক্ষা পদ্ধতি

এই বিদ্যালয়টিতে তৃতীয় থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত বাংলা মাধ্যমে পাঠদান করা হয়। প্রতিটি শ্রেণী বিভিন্ন শিফট ও শাখায় বিভক্ত। বিদ্যালয়টিতে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা চালু আছে। প্রতি বছরই তৃতীয় ও ষষ্ঠ শ্রেণীতে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড এর নীতিমালা অনুসরণপূর্বক জেলা শিক্ষা অফিসারের তত্ত্বাবধানে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে নতুন ছাত্রীদের ভর্তি করা হয়।

                                     

4. শ্রেণি ও শাখা ব্যবস্থা

বিদ্যালয়টির লেখাপড়ার মান ও প্রতিবছর ঈর্ষনীয় সফলতার কারণে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে একটি বিবেচনা করা হয়। আর তাই প্রতি বছরই শত ছাত্রী ভর্তির সুযোগ নিতে উন্মুখ হয়ে থাকে। বিদ্যালয়ে উপচে পড়া ছাত্রীদের সঠিক ও মানসম্মত লেখাপড়া নিশ্চিত করতে বিদ্যালয়টিকে প্রভাতী ও দিবা দুইটি শিফটে ভাগ করে পাঠদান কর্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বিদ্যালয়টিতে তৃতীয় থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিটি শ্রেণিতে ৪টি করে শাখা বিদ্যমান এবং প্রতিটি শাখায় ৩৫-৪০ জন ছাত্রীর পাঠদান হয়।

সময়ব্যাপ্তি

গ্রীষ্মকাল - প্রভাতী শিফট: সকাল ৭:৩০ হইতে ১১:০০ পর্যন্ত, দিবা শিফট: দুপুর ১২:৩০ হইতে বিকাল ৪:০০ পর্যন্ত শীতকাল - প্রভাতী শিফট: সকাল ৮:০০ হইতে দুপুর ১১:৩০, দিবা শিফট: দুপুর ১২:০০ হইতে বিকাল ৩:৩০ পর্যন্ত।

                                     

5. বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ

ভবন ও আঙিনা

বিদ্যালয়ের আঙিনাটি এর চারদিকে ভবনগুলো দ্বারা বেষ্টিত। উত্তর, পূর্ব ও পশ্চিমে একটি করে দোতলা ভবন এবং দক্ষিণ পাশে রছেয়ে দুটো দোতলা ভবন। দক্ষিণের ভবন দুটোর মাঝখানে একটি একতলা ভবন যা প্রশাসনিক ভবন হিসাবে ব্যবহার করা হয়। অন্যান্য ভবনগুলোকে শ্রেণীকক্ষ হিসাবে ব্যবহার করা হয়। প্রতিদিন

অফিস

একতলা ভবনটিকে দাপ্তরিক কার্যালয়, শিক্ষক মিলনায়তন ও প্রধান শিক্ষকের কার্যালয় হিসাবে ব্যবহার করা হয়।

বিজ্ঞানাগার ও লাইব্রেরী

এই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য লাইব্রেরী, কম্পিউটার ল্যাব, বিজ্ঞানাগার রয়েছে।

                                     

6. সহশিক্ষা কার্যক্রম

এই বিদ্যালয়ে প্রতি বছর বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। খেলাধুলার জন্য মাঠ হিসাবে বিদ্যালেয়র বিশাল আঙিনাকেই ব্যবহার করা হয়। তাছাড়া প্রতি বছর এখানে বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত হয়। ছাত্রদের জন্য বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা ও রয়েছে এখানে। প্রতি বছরই পিএসসি, জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় কৃতি ছাত্রীদের সংবর্ধনা দেয়া হয়। ২০১৮ সালে বিদ্যালয়ের হলরুমে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা সভায় জাতীয় সংসদ সদস্য আবু জাহিএর উপস্থিতিতে ২২০জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এছাড়াও বিদ্যালেয়র ছাত্রীরা বিভিন্ন বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করে বিদ্যালয়ের নাম উজ্জ্বল করে যাচ্ছে। ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে অনুষ্ঠিত বসুন্ধরা খাতা-কালের কণ্ঠ জাতীয় স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা চ্যাম্পিয়নের পুরস্কার নিয়ে আসে স্কুলের ছাত্রীরা।