Топ-100
Back

ⓘ শ্রীলঙ্কার ইতিহাস




                                               

ওয়ান্ডারার্স স্টেডিয়াম

ইম্পেরিয়াল ওয়ান্ডারার্স স্টেডিয়াম দক্ষিণ আফ্রিকার গুটেং প্রদেশের জোহানেসবার্গের ইলোভোতে অবস্থিত স্যান্ডটনের ঠিক দক্ষিণে অবস্থিত একটি স্টেডিয়াম। টেস্ট, ওয়ান ডে এবং প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট ম্যাচ এখানে অনুষ্ঠিত হয়। এটি এখন হাইভেল্ড লায়ন্সের নিজেদের ঘরের মাঠ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

শ্রীলঙ্কার ইতিহাস
                                     

ⓘ শ্রীলঙ্কার ইতিহাস

শ্রীলংকার ইতিহাস অখন্ড ভারত এবং এর আশেপাশের অঞ্চল এর ইতিহাসের সাথে জড়িত।

লংকা দ্বীপে শ্রীলংকা আজ থেকে আনুমানিক ৩৮ হাজার বছর পূর্বের প্রাচীন মানব দেহাবশেষ বালানগোদা মানব এর অস্তিত্ব পাওয়া যায়। মহাবংশ, দ্বীপবংশ, চোলাবংশ এর পালি ইতিহাস অনুসারে তৃতীয় শতাব্দীর শুরুতে শ্রীলংকার ঐতিহাসিক কালের সুচনা হয়। তাঁদের বর্ণনা থেকে উত্তর ভারত থেকে সিংহলিদের আগমন এর ইতিহাস সম্পর্কে জনতে পারা যায়। দ্বীপে বসতি স্থাপনের প্রথম দিকের দলিল গুলি এই ইতিহাস গুলিতে পাওয়া যায়।খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে সিংহলের প্রাচীনতম পূর্বপুরুষদের দ্বারা তাম্বাপানি রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়। খ্রিস্টপূর্ব ৪র্থ শতাব্দীতে অনুরাধাপুএর প্রথম শ্রীলংকান রাজা পান্দুকাভয় এর উল্লেখ পাওয়া যায়। সম্রাট আশোক এর পুত্র আরহথ মাহিন্দার হাত ধরে খ্রিস্টপূর্ব ৩য় শতাব্দীতে বৌদ্ধধর্ম শ্রীলংকায় প্রসার লাভ করে। খ্রিস্টপূর্ব ৩য় শতাব্দীতে প্রথম তামিল রাজা এল্লান/ইল্লান এলারা/ইলারা অনুরাধাপুর দখল করে।

পরবর্তী শতাব্দী জুড়ে লংকা দ্বীপ অসংখ্য রাজ্যে বিভক্ত ছিল। যদিও ৯৯৩ খ্রিঃ - ১০৭৭ খ্রিঃ চোলা শাসনামলে রাজ্যগুলি একত্রিত অবস্থায় ছিল। এসময় অনুরাধাপুর থেকে কান্দি পর্যন্ত লঙ্কায় ১৮১ জন রাজা রাজত্ব করেছিলেন। ষোড়শ শতাব্দী থেকে এই দীপের কিছু উপকূলীয় এলাকা পর্তুগিজ, ডাচ এবং ব্রিটিশদের দখলে ছিল। ১৫৯৭ থেকে ১৬৫৮ সাল পর্যন্ত দ্বীপের একটি বড় অংশ পর্তুগিজদের দখলে ছিল। আশি বছর এর যুদ্ধে পর্তুগিজরা ডাচদের কাছে তাঁদের সিলোনে অধিকৃত অঞ্চল হারায়। কান্দিয়ান যুদ্ধের পরে, ১৮১৫ সালে এই দ্বীপটি ব্রিটিশ শাসনের অধীনে একত্রিত হয়েছিল। ১৮১৮ উভা বিদ্রোহ এবং ১৮৪৮ মাতালে বিদ্রোহে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিদ্রোহ হয়েছিল। অবশেষে ১৯৪৮ সালে স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছিল কিন্তু ১৯৭২ সাল পর্যন্ত দেশটিতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের আধিপত্য বজায় ছিল।

১৯৭২ সালে শ্রীলংকা একটি প্রজাতন্ত্র হিসেবে আত্নপ্রকাশ লাভ করে। ১৯৭৮ সালে সংবিধান প্রনয়ন করা হয় যা কার্যনির্বাহী রাষ্ট্রপতি কে রাষ্ট্রপ্রধান এর মর্যাদা প্রদান করে। ১৯৭১,১৯৮৭ -১৯৮৯ সালের সশস্ত্র যুবক অভ্যুত্থান সহ শ্রীলংকায় সুচনা হওয়া গৃহযুদ্ধ ১৯৮৩ হতে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ২৫ বছর ব্যাপি স্থায়ী ছিল।

                                     

1. প্রাগৈতিহাসিক

শ্রীলঙ্কায় মানব উপনিবেশের প্রমাণ বালানগোদার সাইটে উপস্থিত হয়েছে। বালাগোদা মানব গোষ্ঠি আনুমানিক ১২৫ হাজার বছর পূর্বে এই দ্বীপে বসতি স্থাপন করে এবং তারা গুহায় বসবাসকারী মেসোলিথিক শিকারী-সংগ্রহকারী হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। এ দ্বীপের প্রচীন বেশ কিছু গুহার মধ্য থেকে সুপরিচিত কিছু গুহা যেমন বাতাডোম্বালেনা এবং ফা হিয়েন গুহায় থেকে তাঁদের ব্যবহার্য বিভিন্ন সামগ্রী পাওয়া যায়, যা এটা প্রমান করে যে তারাই এখন পর্যন্ত পাওয়া এই দ্বীপে বসবাসকারী আদি বাসিন্দা।

বালানগোদা মানব সম্ভবত খেলাধুলা করার জন্য গাছ পালা পুড়িয়ে হর

শ্রীলংকার ইতিহাস শুরু আজ থেকে ৩০,০০০ বছর আগে যখন প্রথম এই দ্বীপে জনবসতি স্থাপিত হয়। মহাবংশপালি:মহাবংস, দীপবংশপালি:দীপবংস, কুলবংশ এবং রাজাভেলিয়া সহ বিভিন্ন ঘটনাপঞ্জিতে ৬ খ্রিষ্টপূর্বাব্দের সিংহলী রাজতন্ত্র থেকে শুরু করে, ১৬ শতকে ইউরোপীয়ান ঔপনিবেশিক শক্তির আগমন এবং ১৮১৫ সালে রাজতন্ত্রের অবসায়ন পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনাবলীর উল্লেখ আছে।

শ্রীলংকার ঐতিহাসিক কাল শুরু হয় তৃতীয় শতাব্দীতে। উত্তর ভারত থেকে সিংহলিদের আগমনের কথা পালি ইতিহাসে রয়েছে।