Топ-100
Back

ⓘ ২০১৪-এ বাংলাদেশ




                                               

পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন

পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ সরকারের একটি ফাউন্ডেশন যা বাংলাদেশের গ্রামীণ অঞ্চলের দারিদ্র্যতা হ্রাস করার জন্য দায়বদ্ধ। মোঃ রেজাউল আহসান এই ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান।

                                               

জাতীয় শিশু শ্রমিক কল্যাণ কাউন্সিল

২০১৪ সালে জাতীয় শিশু শ্রমিক কল্যাণ পরিষদ প্রতিষ্ঠিত হয়। কাউন্সিলের লক্ষ্য হল জাতীয় শিশু শ্রম নির্মূল নীতি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা এবং পর্যবেক্ষণ করা। জাতীয় শিশু শ্রম বর্জন নীতি অনুসারে বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশে সকল ধরনের শিশু শ্রম নির্মূল করার পরিকল্পনা করেছে। কাউন্সিলের প্রথম সভা ২৬ মে ২০১৫ তারিখে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী মুজিবুল হক।

                                               

২০১৪-এ ইবিতে তৌহিদুর রহমান টিটুর মৃত্যু

২০১৪ সালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়ায় তৌহিদুর রহমান টিটুর মৃত্যু বাংলাদেশের একটি বহুল আলোচিত ঘটনা। ২০১৪ সালের ৩০ নভেম্বর টিটুর ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে বাস চাপায় মৃত্যুবরণকে কেন্দ্র করে ৩০ টি বাস পোড়ানো এবং ৮-১০ টা বাস ভাংচুর করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় অনিদিষ্ট কালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়, পরবর্তীতে চার মাসের অধিক সময়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকে। বাংলাদেশী বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের ইতিহাসে দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে এটিই সর্বাধিক বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকার ঘটনা।

                                               

আজিজুল হক শাজাহান

তার পৈতৃক নিবাস ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর থানাধীন গালুয়া গ্রাম।জনাব শাজাহানের জন্ম মাতুলালয়ে ফরিদপুরে। সে ১৯৩৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন।তার পিতার নাম সৈয়দ আব্দুল মালেক। তার মাতার নাম বেগম হামিদুন্নেসা।তার পিতামহের নাম সৈয়দ আব্দুল হক ওরফে লাল মিয়া। ভাইবোনদের নাম সুরাইয়া বেগম, মেরী বেগম ও শাহানা হক পরী।জনাব শাজাহান ১৯৬০ সালে বিবাহ করেন। স্ত্রীর নাম খোরশেদা হক কিরণ। স্ত্রী কমার্স ব্যাংক বাংলাদেশ এর মৌচাক শাখার ম্যানেজার। তাদের সন্তানগণ: সৈয়দা মোনালিসা হক, সৈয়দা জোসেফাইন হক, সৈয়দা সুমনা হক ও সৈয়দ ফজলুল হক।

                                     

ⓘ ২০১৪-এ বাংলাদেশ

  • ৯ ডিসেম্বর - তিন লাখ লিটার জ্বালানি তেলসহ ‘ওটি সাউদার্ন স্টার-৭’ নামের জ্বালানি তেলবাহী জাহাজ বাগেরহাটে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জে শ্যালা নদীতে একটি মালবাহী জাহাজের ধাক্কায় ডুবে যায়। এতে সুন্দরবনের প্রায় আট হাজার হেক্টর ৮০ বর্গকিলোমিটার জায়গায় ফার্নেস তেল ছড়িয়ে পড়ে। তেল ছড়িয়ে পড়ার ঘটনাটি ম্যানগ্রোভ বা শ্বাসমূলীয় বনের ক্ষেত্রে বিশ্বে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের ঘটনা। এ বিপর্যয়ের ফলে পুরো এলাকার বনজীবী এবং প্রাণীর জীবন বিপন্নের আশঙ্কা করা হয়।
  • ১৬ ডিসেম্বর - যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালিত হয়। জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সর্বস্তরের মানুষ। দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে বর্ণাঢ্য র‌্যালি এবং শোভাযাত্রা বের করা হয়।
  • ২৭ ডিসেম্বর - ঢাকার শাহজাহানপুরের রেলওয়ে মাঠসংলগ্ন ৩০০ ফুট গভীর পানির পাম্পের পাইপে জিহাদ নামের এক শিশু পড়ে যায়। ২৩ ঘণ্টা পর একটি ক্যাচার বা টেনে তোলার যন্ত্রের মাধ্যমে টেনে তোলা হয় ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করে।
  • ১৪ ডিসেম্বর - স্বাধীনতা সংগ্রামের শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে প্রতিবছরের মত বুদ্ধিজীবী দিবসটি পালন করা হয়। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের শ্রদ্ধা জানাতে মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সর্বস্তরের মানুষ।
                                     

1. মৃত্যু

  • ৫ সেপ্টেম্বর - রামকানাই দাশ, বাংলাদেশি লোকসংগীতশিল্পী জ. ১৯৩৫
  • ১১ নভেম্বর - জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী, বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ জ. ১৯২৮
  • ২৭ সেপ্টেম্বর - আয়েশা ফয়েজ, বাংলাদেশি লেখক জ. ১৯৩০
  • ৩০ নভেম্বর - কাইয়ুম চৌধুরী, বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী জ. ১৯৩২
  • ৩ মার্চ - আলী আনোয়ার, বাংলাদেশি গবেষক ও প্রাবন্ধিক
  • ১৯ এপ্রিল - বশির আহমেদ, বাংলাদেশি সংগীতশিল্পী জ. ১৯৩৯
  • ২০ ডিসেম্বর - মাকসুদুল আলম, বাংলাদেশি জিনতত্ত্ববিদ জ. ১৯৫৪
  • ১১ জানুয়ারি - মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশের বিচারপতি জ. ১৯২৮
  • ৯ সেপ্টেম্বর - ফিরোজা বেগম, বাংলাদেশি নজরুলসঙ্গীতশিল্পী জ. ১৯৩০
  • ১৫ জুন - সরদার ফজলুল করিম, বাংলাদেশি দার্শনিক জ. ১৯২৫
  • ১৯ অক্টোবর - সালাহ্উদ্দীন আহমদ, বাংলাদেশি উদারবাদী, মুক্তচিন্তক ঐতিহাসিক জ. ১৯২০
  • ২৩ অক্টোবর - গোলাম আযম, বাংলাদেশের রাজনীতিবীদ এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দন্ডপ্রাপ্ত একজন যুদ্ধাপরাধী জ. ১৯২২
  • ৯ এপ্রিল - এ বি এম মূসা, বাংলাদেশি সাংবাদিক জ. ১৯৩১
  • ১৮ আগস্ট - বেলাল আহমেদ, বাংলাদেশি চলচ্চিত্র নির্মাতা জ. ১৯৪৮
  • ৮ মে - এ কে এম আজহার উদ্দীন, বাংলাদেশি ভাষা সংগ্রামী ও মুক্তিযোদ্ধা জ. ১৯৩৫
  • ২৪ ডিসেম্বর - এখলাসউদ্দিন আহমদ, বাংলাদেশি শিশুসাহিত্যিক ও ছড়াকার জ. ১৯৪০
  • ৮ অক্টোবর - আবদুল মতিন, বাংলা ভাষা আন্দোলনের অন্যতম ভাষা সৈনিক জ. ১৯২৬
  • ৭ ডিসেম্বর - খলিল উল্লাহ খান, বাংলাদেশি অভিনেতা জ. ১৯৩৪
  • ৮ নভেম্বর - মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, বাংলাদেশি সংগীতশিল্পী