Топ-100
Back

ⓘ গণমাধ্যম




                                               

বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট

বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট বাংলাদেশ সরকারের অধীনস্থ একটি কল্যাণ ট্রাস্ট যা বাংলাদেশের সাংবাদিকদের বিভিন্ন ধরনের সহয়তা প্রদানের জন্য কাজ করে। পদাধিকারবলে ট্রাস্টের ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি হলেন তথ্যমন্ত্রী।

                                               

টাইগার মিডিয়া লিমিটেড

টাইগার মিডিয়া লিমিটেড ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি বাংলাদেশ-ভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রযোজনা এবং বিতরণ সংস্থা। এটি ২০১৪ সালের কয়েকটি বৃহত্তম বাংলাদেশী চলচ্চিত্র প্রযোজনা করে এক বছরের মধ্যে অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রযোজনা সংস্থা হিসাবে আবির্ভূত হয়েছে। টাইগার মিডিয়া লিমিটেড ঢালিউড২৪ এর মালিক; এটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র ভিত্তিক একটি সংবাদ মাধ্যম।

                                               

পিং পং এন্টারটেইনমেন্ট

পিং পং এন্টারটেইনমেন্ট ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ ভিত্তিক একটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা এবং বিতরণ সংস্থা। সংস্থাটি চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন প্রযোজনার জন্য বিশেষায়িত। শুক্লা বণিক এই সংস্থাটির বর্তমান চেয়ারম্যান।

                                     

ⓘ গণমাধ্যম

গণমাধ্যম হচ্ছে সংগৃহীত সকল ধরনের মাধ্যম, যা প্রযুক্তিগতভাবে গণযোগাযোগ কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। সম্প্রচার মাধ্যম যা ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া নামে পরিচিত, বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির সাহায্যে তাদের তথ্যাবলী প্রেরণ করে। টেলিভিশন, চলচ্চিত্র, ইন্টারনেট,রেডিও বা বেতার, সিডি, ডিভিডি এবং অন্যান্য সুবিধাজনক ছোট ও সহায়ক যন্ত্রপাতি যেমনঃ ক্যামেরা বা ভিডিওচিত্রের সাহায্যে ধারণ করা হয়। পাশাপাশি মুদ্রিত মাধ্যম হিসেবে সংবাদপত্র, সাময়িকী, ব্রোশিওর, নিউজলেটার, বই, লিফলেট, পাম্পলেটে বাহ্য বিষয়বস্তু তুলে ধরা হয়। এতে ফটোগ্রাফী বা দৃশ্যমান উপস্থাপনায় সহায়ক ভূমিকা পালন করে। টেলিভিশন কেন্দ্রে অথবা পাবলিশিং কোম্পানী গণমাধ্যম হিসেবে চিহ্নিত হয়ে সংগঠনরূপে আধুনিক প্রযুক্তিকে নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহার করে থাকে। মোবাইল বা সেল ফোন, কম্পিউটার এবং ইন্টারনেটকেও অনেক সময় নতুন-যুগের গণমাধ্যম হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। ইন্টারনেট স্বীয় ক্ষমতাবলে ইতোমধ্যেই অন্যতম গণমাধ্যম হিসেবে ব্যাপক স্বীকৃতি অর্জন করেছে। এ মাধ্যমে অনেক প্রকার সেবা - বিশেষ করে ই-মেইল, ওয়েব সাইট, ব্লগিং, ইন্টারনেট এবং টেলিভিশনের প্রচারকার্য পরিচালনা করছে। এ কারণে অনেক গণমাধ্যমের পদচারণা ওয়েব সাইটে দেখা যায়। টেলিভিশন বিজ্ঞাপনচিত্রকে ওয়েবসাইটে সংযুক্ত করা হয়েছে কিংবা খেলাধূলাভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলো ক্রীড়াপ্রেমী দর্শকদেরকে তাদের ওয়েবসাইট দেখতে উদ্বুদ্ধকরণে ঠিকানা প্রকাশ করে। বাইরের মাধ্যম হিসেবে বিলবোর্ড, সাইন, প্লাকার্ডকে বিভিন্ন বাণিজ্যিক ভবনের ভিতরে ও বাইরে যেখানে অধিক দোকান-পাট/বাসের ব্যস্তমূখর পরিবেশে উপস্থাপন করা হয়। জনসভা এবং বিশেষ ঘটনায় সমবেত ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানও গণমাধ্যমের একটি ধরন।

                                     

1. সংজ্ঞার্থ নিরূপণ

বিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে গণমাধ্যমকে প্রধান ৮টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। সেগুলো হলো - বই, সংবাদপত্র, সাময়িকী, ধারণ যন্ত্র, রেডিও, সিনেমা, টেলিভিশন এবং ইন্টারনেট। বিংশ শতকের শেষ এবং একবিংশ শতকের শুরুতে গণমাধ্যমের প্রকারভেদ নিয়ে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে যে, গণমাধ্যমের বিভাজন সুস্পষ্টভাবে আরও বৃদ্ধি পাবে। ইতোমধ্যেই সেল ফোন, ভিডিও গেম এবং কম্পিউটার গেমসকে গণমাধ্যম হিসেবে উপস্থাপনা করায় বিতর্ক চলছে। বিংশ শতাব্দীতে সেভেন মাস মিডিয়া নামে গণমাধ্যম পরিচিত ছিল। সে ধারায় বর্তমান ৭টি গণমাধ্যম হলো -

  • মুদ্রিত মাধ্যম যা পঞ্চদশ শতক থেকে প্রচলিত হয়ে আসছে।
  • সিনেমা যা ঊনবিংশ শতক থেকে প্রচলিত।
  • রেডিও সম্প্রচারের মাধ্যমে যা ১৯১০ সাল থেকে প্রচলিত।
  • ধারণ যন্ত্র বা রেকর্ডিং মাধ্যম যা ঊনবিংশ শতকের শেষদিকে প্রচলিত।
  • ইন্টারনেট ব্যবস্থা যা ১৯৯০ সাল থেকে প্রচলিত।
  • টেলিভিশন সম্প্রচার ব্যবস্থা যা ১৯৫০ সাল থেকে প্রচলিত।
  • মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যা ২০০০ সাল থেকে গণমাধ্যম হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।

প্রত্যেকটি গণমাধ্যমই তাদের স্বতন্ত্রতা, সৃষ্টিশীলতা, প্রযুক্তিকৌশলসহ নিজস্ব ব্যবসায়িক গুরুত্ব ও আবেদন প্রয়োগ করেছে। যেমনঃ ইন্টারনেট ব্যবস্থায় ওয়েবসাইট, ব্লগ, পডকাস্টসহ আরো নানাবিধ প্রযুক্তিকৌশল প্রয়োগ করায় সাধারণভাবে নেটওয়ার্কিং জগতে শীর্ষস্থান দখল করেছে।

৬ষ্ঠ এবং ৭ম মাধ্যম হিসেবে ইন্টারনেট এবং মোবাইলকে প্রায়শঃই ডিজিটাল মিডিয়ারূপে আখ্যায়িত করা হয়। ৪র্থ এবং ৫ম মাধ্যম হিসেবে যথাক্রমে রেডিও টেলিভিশনকে ব্রডকাস্ট মিডিয়া বা সম্প্রচার মাধ্যমরূপে বিবেচিত। কেউ কেউ ভিডিও গেমসকেও গণমাধ্যম হিসেবে আখ্যায়িত করার চেষ্টা করছেন।